Search

রামধনু ।। ২৫তম সংখ্যা ।। গল্প ।। শ্যামাপ্রসাদ সরকার


ধূম লেগেছে হৃৎকমলে.." শ্যামাপ্রসাদ সরকার


মহর্ষি উদ্দালক আজ যেন একটু অন্যমনা। যেটা আজ ঘটে গেল খানিক আগে সেটা তপোভূমির বুকে খুবই সাধারণ হলেও তার অভিঘাত ঋষিপুত্র শ্বেতকেতুর কৌমার্যে আঘাত দিয়েছে সবচেয়ে বেশী। তিনি টের পান মান্ডবী নদীর তীরে আজ যে সামান্য অথচ আবেগপ্রবণ ঘটনাটি এসবের জন্য দায়ী সেটা কাটিয়ে উঠতে গেলে শ্বেতকেতুর এখন দীর্ঘকালব্যাপী প্রজ্ঞা আর সংযত ভাবোন্মেষ প্রয়োজন। এটা ওর দোষ নয় আদৌ, আসলে আর্যদেশ বা জম্বুদ্বীপের প্রকৃত আর্যাবর্ত হয়ে উঠতে এখনো বিলম্ব হচ্ছে বলে ওর এটা আত্মস্থ করতে এখনো সময় লাগবে।



উনি আশাবাদী যে আগামীকালের সমাজ হয়তো এর থেকে নিষ্কৃতির পথটিও একদিন ঠিক নির্ধারণ করে উঠবে। আর তা সত্যি হলে স্বয়ং উদ্দালক নিজেও খুশী হবেন। কারণ আজ শ্বেতকেতুর সেই অসহায়তা প্রত্যক্ষ করার পর তাঁর ঋষিপ্রজ্ঞার দৃঢ় বাঁধনটিকে আলগা করে যেন এক অসহায় পিতাটিকেই প্রকাশ্যে বের করে এনেছে। হায়! বেদাদি সংহিতাও এর জন্য এখনো নীরব। ..............

বিচলিত মনকে সংহত করতে খানিক আগে তাঁর আশ্রম প্রাঙ্গণের কুশাসনে বসে এসব কথাই চিন্তা করতে বসেছিলেন তিনি। হঠাৎ করে কবেকার সেই ধৌম্য মহর্ষির সময়কার স্মৃতিগুলি থেকে থেকে খালি মাথায় ভীড় করছিল। আহা! সেই ধান্যক্ষেত্র...সেই আরুণিরূপী তরুণবয়েসটি আজ যেন নতুন করে সব সামনে এসে দাঁড়াচ্ছিল। প্রবীণ ঋষি উদ্দালক তারই প্রকোপে একটু যেন ভাবালু হয়ে পড়লেন।


........... তিনি তখন তপোবনে আর সব বালকদের মত ধৌম্য ঋষির শিষ্য ছিলেন। গুরুগৃহে থাকার সময়, একবার গুরু তাঁকে ক্ষেতের আল বাঁধার নির্দেশ দেন। বহু চেষ্টা করেও তিনি এই কাজে সফল হতে না পেরে, আল বরাবর নিজের দেহটি অনুভূমিকভাবে স্থাপন করে, ক্ষেতের জল রোধ করেন। পরে ধৌম্য আরুণিকে দীর্ঘক্ষণ না দেখে, ক্ষেতের কাছে এসে আরুণির নাম ধরে ডাকতে থাকেন। আরুণি গুরুর ডাক শুনে মাটি থেকে উঠে, গুরুর সামনে আসেন এবং সবটা বলেন। ধৌম্য আরুণির প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে বেদ ও সকল ধর্মশাস্ত্র প্রদান করেন। আল থেকে উত্থিত হয়ে নিজের স্বরূপটি প্রকাশ করেছিলেন বলে আরুণি নাম বদলে ধৌম্য তাঁর নামকরণ করেন "উদ্দালক"! .......... তারপর অনেকগুলি বৎসর অতিক্রান্ত হয়ে তিনি এখন প্রবীণবয়সী। পর্জন্যসংহিতার নবপর্যায়টি নিয়ে গভীর এষণাটি এখন প্রায় শেষ। এবারে ভূর্জপত্রে সেটি লিখে ফেলবেন খুব শীঘ্রই। এই কাজে পুত্র শ্বেতকেতুর মত অগ্নিস্ফুলিঙ্গটিকে সাথে পেয়ে তিনি আনন্দিত হয়েছিলেন যতটা আজ সেই শ্বেতকেতুর মর্মদহন সেই আনন্দাগ্নি নিভিয়ে দিয়ে চিন্তাণ্বিত করে তুলেছে তাঁকে। .........

সৃষ্টির সময় তখন অগ্রসর ও অতিক্রান্ত হলেও তার প্রাচীন স্বাভাবিক বন্য আদিমতাকে মানুষ তখনো পরিত্যাগ করতে পারে নি। তপোবনের বাইরে আত্মরক্ষার লড়াই তখন চরম। ছোট ছোট দল থেকে বড় গোষ্ঠী এমনকি তার থেকে কৌম গঠন হয়েছে যদিও তবু মনুষ্য জাতি তখনো গ্রাম , সমাজ..ইত্যাদির চালনার জন্য লব্ধ স্থিতি ও প্রজ্ঞা আহরণ করে উঠতে শেখেনি।

বনচারী হলেও একধরণের পরিবার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে ঠিকই, কিন্তু বিবাহ নামক সামাজিক রীতিকে তখনো কেউ গ্রহণ করে নি। মনুষ্যপ্রজাতি শিক্ষার আলোক পেয়েও ছিল বন্যজীবের ন্যায় বাঁধন ছাড়া। বনের জীবেরা তাও নিজের সঙ্গীর সঙ্গে বিরোধ করত না বটে কিন্তু মানুষ সেটাও করত। অমৃতস্য পুত্রাঃ হলেও কিছুক্ষেত্রে তারা এখনো বর্বরোচিত ও আসুরিক।



যদিও মাতৃতান্ত্রিক পরিবার গঠন ছিল বিদ্যমান কিন্তু স্ত্রী জাতিকে অনেক কাজই এমন করতে হত যা তার হৃদয় ও স্বভাববিরুদ্ধ । এর ফলে কোথাও গিয়ে পারিবারিক বন্ধনটি ক্ষুণ্ণ হচ্ছিল। সমাজ ব্যবস্থা বা পারিবারিক কাঠামো ভেঙে পড়ছিল।

শার্ঙ্গরব মুনি কিছুটা এর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলেও পুরোটা করে যেতে পারেননি। কারণ তাঁর অকালপ্রয়াণ ও রিপুজয় সংক্রান্ত জৈবিক কাজের প্রতি অনীহা। তিনি বিদ্বান হলেও সংযমী ছিলেন না। তাঁর এই বিপরীত মেরুর স্বভাবটি উপদংশ রোগের আকারে তাঁকে একদিন এ সবকিছুর চূড়ান্ততা থেকে সরিয়ে নিল। .......

নদীর তীরে উদ্দালকের সেই পর্ণকুটির। কুলকুল শব্দে মান্ডবী নদী তার নিকটে বহমান।মধুর পক্ষীর কুজন আর নদীর মৃদু বাতাসে দিগন্ত মুখরিত। কৈশোরের উপান্তে এসেও শ্বেতকেতু বড় বেশীরকমের সরল। সে তার পিতা-মাতার নিকট বসে বিশ্রাম গ্রহণ করছিল, এমন সময় এক অনাহুত মধ্যবয়স্ক ঋষি তাদের কুটিরে এসে তার জননীর হাতটি ধারণপূর্বক আদেশ করলেন," এস ভদ্রে ! এবার তাহলে আমরা নদীর অপর প্রান্তের তপোবনটিতে যাই।"

সেই মুহূর্তে তার জননী যাবার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ না করে বিরোধিতা করলেন বটে তবে তাতে ফল কিছু ফল হল না।ঋষিটি তখন তার পিতার সমক্ষেই শ্বেতকেতুর মাতাকে বলপূর্বক ('বলাৎ -ইব') নিয়ে যেতে দেখে বড় দুঃখ পেলেন ও পিতার প্রতি অতিশয় অভিমানী হলেন। মহর্ষি উদ্দালক নিজ পুত্র শ্বেতকেতুর এই মনোবিকলন দেখে বললেন,

" বৎস মা ক্রোধঃ! রমণ ও দেহভোগ আসলে অতি অনিত্য ধর্ম। এটাকে দায়ী করতে গেলে বিচারে ভুল হবে। বংশগতি রক্ষার জন্য এই রমণ কার্য্যে ভূমন্ডলে এখন সমস্ত প্রাণী অবারিত। এক্ষেত্রে পশু যে রকম ব্যবহার করে, মনুষ্যগণও সেই একই রকম আচরণ করলে দোষ নেই । সবটাই জৈবিক আচারমাত্র। জেনে রাখ! আমার উপর তোমার মাতার অথবা তোমার মাতার উপর আমার কোনরকমের দাসত্ব, বন্ধন বা সেরকম কোন অধিকার নেই। আমাদের ন্যায় সেও একজন স্বাধীন আচরণকারী ও সর্বত্রগামী।তাছাড়া উপনিষদ বলে ' আত্মানাং বিদ্ধি!' সেই পরমাত্মা যদি স্বেচ্ছাগমন করে তখন আমাদের তাঁর অঙ্গজ অনুচর রক্তমাংসের সামান্য দেহটিকে এজন্য কি দোষ দেওয়া উচিৎ? " ...........

ঋষিপুত্র পিতার বাক্যটি শ্রবণ করেও ক্ষান্ত হলেন না এমনকি অক্ষমের মত আরো ক্রুদ্ধ হলেন না বরং নিদারুণ অসহায়ের মত এর প্রতিকারের অপেক্ষায় থাকলেন। সমিধ এর স্তুপে ততোক্ষণে আরাত্রিক সামগানের লেলিহান বৈশ্বানরের শিখাটি আরো প্রকট হয়ে উঠেছে। শ্বেতকেতুর মনে হল সেই পবিত্র অনলে তার এযাবৎকালে আহরিত সমস্ত জ্ঞান ও বিচার-সংস্কার সব যেন জ্বালিয়ে দিতে পারলে ভাল হত। ............... এই ঘটনার কিছুদিন পর উদ্দালক একদিন পুত্রকে ডেকে বললেন, " হে পুত্র শ্বেতকেতু, তুমি এবার ব্রহ্মচর্য অবলম্বন কর ও যযাতি গোত্রীয় মহর্ষি যাজ্ঞবল্ক্যের তপোবনে গিয়ে কিছু বৎসর শিক্ষার্থী রূপে বাস করো। আমাদের বংশে বেদ অধ্যয়ন না করে শুধু নামে মাত্র ব্রাহ্মণ হয়েছেন এমন কেউ নেই।"

পিতৃআজ্ঞা শুনে বারো বছর বয়সে শ্বেতকেতু তখন গুরুগৃহে গেলেন। চব্বিশ বছর বয়স পর্যন্ত সেখানে থেকে সমস্ত বেদ অধ্যয়ন করে নিজে শাস্ত্রমন্থন করে এক গম্ভীরচিত্ত, অবিনয়ী ও পাণ্ডিত্যের অহংকারে পূর্ণ জ্ঞানতাপস হয়ে বাড়ি ফিরে এল!

এই কয়েকবছরে পুত্রটিকে চোখে না দেখতে পেলেও মহর্ষি উদ্দালকও লোকমুখে শুনতে পেয়েছেন যে তাঁর আত্মজ ঋষিপুত্র শ্বেতকেতু একজন সার্থকনামা ব্রহ্মবাদী হয়ে উঠেছে তার মেধা ও অবিচল প্রজ্ঞায়।

অধ্যয়ন শেষে ফিরে এসে সে কিছুদিন বিরলে বাস করলো। যেন এক বৃহৎ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে মনে মনে। পূর্বাহ্নের প্রার্থনা শেষে সে তার পিতা ও সমবেত তপোবনবাসীদের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করে বলল,

" আমি শ্বেতকেতু ! পরম ব্রহ্মবাদী হয়ে আমি আজ থেকে সমাজ গঠনের নিমিত্ত বিবাহের উপযুক্ত নিয়ম প্রণয়ন করলাম, আজ থেকে যে স্ত্রী পতিভিন্ন পুরুষান্তর সংসর্গ করবে এবং যে পুরুষ কৌমারব্রহ্মচারিনী বা পতিব্রতা স্ত্রীকে পরিত্যাগ করে অন্য স্ত্রীতে রমণসুখহেতু আসক্ত হবে এদের দুজনকেই ভ্রূণহত্যা সদৃশ ঘোরতর পাপপঙ্কে লিপ্ত হতে হবে ও মৃত্যুর পরে অনন্তকাল তপ্তসূর্মি বা সমতূল্য নরকে বসবাস করতে হবে। কেবল পরাশর সংহিতা অনুযায়ী মৃত, নপুংসক বা সন্তানপ্রজননে অক্ষম নারী বা পুরুষ শাস্ত্রমতে একাধিক সঙ্গী চয়ন করতে পারবে! "

উদ্দালকের দু'চোখে বিস্ময়। তার পুত্রটি আজ এ কি প্রবচন ব্যক্ত করছে। তাহলে কি অসঙ্ঘটিত সমাজ এবার আলোকময় হয়ে উঠবে? ওঁদের পূর্বজরা যা স্বপ্নেও ভাবেননি তাই কি এবারে শ্বেতকেতু পরম প্রজ্ঞায় উচ্চারিত করছে?

নাঃ, এ যেন জ্ঞানসূর্যের এক নবোদয় ঘটতে চলেছে !

আশ্রমিকদের মধ্যে বিরোধী গুঞ্জন শুরু হল। একজন যুবক আশ্রমিক এসে শ্বেতকেতুর নিজের জন্মবৃত্তান্তটি সকলের সামনে প্রকাশ করে তার বক্তব্য পেশ করলো। শ্বেতকেতু আসলে নিজেই উদ্দালকের আত্মজ নয় সে আসলে ঋষির এক ক্ষেত্রজ পুত্র। সুতরাং এ বিষয়ে তার প্রণয়নটি কিছুতেই শোধক হতে পারেনা।

বিষয়টি এবারে অন্যদিকে চলে যেতে দেবগুরু বৃহস্পতির ভ্রাতুষ্পুত্র উতথ্যের এক পুত্র দীর্ঘতমা যেন শ্বেতকেতুর আবেগটিকে কিছুটা হলেও আজ বুঝতে পারলেন।

সে আজ যেটা বলতে চাইছে তা যেন বড় অভিপ্রেত। তার বংশকৌলীন্যের অবিচার এই মহান তত্ত্বটির উপর কেন অযথা ছায়া ফেলবে? আর তার জন্মের পদ্ধতির জন্য সে নিজে কেন দায়ী হবে?



দীর্ঘতমা এবারে সোচ্চার কন্ঠে বলে ওঠেন,

" শ্বেতকেতুর বিচারটি যথার্থ। মনুষ্য সমাজে পরিবারের উদ্ভব হয়েছে জীবজনিত কারণে । তাই বিবাহের মধ্য দিয়ে সেই নারী পুরুষের সম্পর্ককে সামাজিক রূপ দানই বিধেয়। " ................. এদিকে একই প্রসঙ্গে প্রবীণ মহর্ষি মনু তাদের দু'জনকেই সমর্থন করে বললেন,

" দেখ! আদিম জনজাতির কাছে খাদ্য সংগ্রহ করাই ছিলো খুবই কঠিন। মূলত পশু খাদ্যই ভক্ষণ করতো তারা। তাই পশু শিকারের উদ্দেশ্যে তাদের যেতে হতো দূর থেকে দূরান্তে । এবং সেক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অসহায় ও রক্ষকহীন নারীকে একা পেয়ে অন্যকোনো পুরুষ বলপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে গেলে রক্তপাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। কিন্তু আজ আর তো তেমন আদিমতা নেই। স্ত্রী ও পুরুষ একত্রে বাস করে সসম্মানে পরিবারবৃদ্ধি করুক এটাই কাম্য।

এই কথা বলে মহর্ষি মনু তাঁর বিরচিত স্মৃতি শাস্ত্রের সেই সুবিখ্যাত পুস্তিকাটি তথা " মনুসংহিতা” উদ্ধৃত করে মোট আট প্রকার বিয়ের কথা উল্লেখ করলেন। সেগুলি হল যথা, ১) ব্রাহ্ম ২) আর্য ৩) প্রাজাপত্য ৪)আসুর ৫) গান্ধর্ব ৬) রাক্ষস ৭) দৈব ৮ ) পৈশাচ

সমবেত বিরোধাভাষ এবার ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে আসছে দেখে মহর্ষি উদ্দালক এই আটপ্রকারের বিবাহরীতির কথাটিতে বেশ প্রসন্ন হলেন। মহর্ষি মনু যা বলছেন তাও অবশ্য এখনকার যুগধর্মের চেয়েও অগ্রবর্তী ভাবনার কথা । তিনি আশ্বস্ত হলেন এটা দেখে যে সুসভ‍্যতাধর্মী মানবসমাজে তাঁর পুত্র শ্বেতকেতুই হতে চলেছে সার্থক পরিবর্তনটির এক সোচ্চার ধারক। এবারে তিনি যোগবল প্রয়োগ করে বুঝলেন যে সময়কাল এখন সুতীব্র গতিতে এগিয়ে চলেছে। তাই আসন্ন মনুষ্য সমাজে এই ব্ বিবাহ বিধিই সর্বাপেক্ষা স্বীকৃত ও লক্ষণীয় হবে।বিবাহের মাধ্যমে যে একজন নারী ও পুরুষ সারাজীবন একসাথে সুখ – দুঃখে থাকার প্রতিজ্ঞা করবেন ।

তাই হোমাগ্নির সামনে উচ্চারণ করা এই মন্ত্রশপথটি একদিন সার্থকনামা হয়ে জেগে থাকবে,

“ যদেতৎ হৃদয়ং তব তদস্তু হৃদয়ং মম যদিদং হৃদয়ং মম, তদস্তু হৃদয়ং তব ‘’। এর অর্থ হল - তোমার এই হ‍ৃদয়টি যেমন আমার হোক আর আমার এই হৃদয়টিও আজ থেকে তোমার হোক।

স্মিত হাস্যে গর্বিত পিতা উদ্দালক এগিয়ে এসে এবারে সস্নেহে পুত্র শ্বেতকেতুর মস্তকচুম্বন করে বললেন,

"বৎস ! আজ নিরাশ হয়ো না যেন ! দেখবে এই মন্ত্রেই আগামীকালের মনুষ্যসমাজ একদিন ঠিক অভিনন্দিত হবে। হতে যে তাকে হবেই.....!"

...............

কৃতজ্ঞতা স্বীকার: ........................... # মহাভারত - কালীপ্রসন্ন সিংহ # কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত মহাভারত -সারানুবাদ - রাজশেখর বসু .......

11 views0 comments